আমাদের সম্পর্কে

প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান পৃষ্ঠপোষক
ফক্বীহুল মিল্লাত মুফতী আবদুর রহমান (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি)

প্রধান সম্পাদক
মুফতী আরশাদ রহমানী

সম্পাদক
মুফতী কিফায়াতুল্লাহ শফিক

নির্বাহী সম্পাদক
মাওলানা রিজওয়ান রফীক জমীরাবাদী

সহকারী সম্পাদক
মাওলানা মুহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন

বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি
মুহাম্মদ হাশেম

যোগাযোগ

সম্পাদনা দফতর
মারকাযুল ফিকরিল ইসলামী বাংলাদেশ
ব্লক-ডি, ফক্বীহুল মিল্লাত স্মরণী, বসুন্ধরা আ/এ, ঢাকা।
ফোন: ০২৮৪০২০৯১,০২৮৮৪৫১৩৮
ই-মেইল: [email protected]
ওয়েব :  http://monthlyalabrar.com/

 

মোবাইল

প্রধান সম্পাদক: ০১৮১৯৪৬৯৬৬৭,

সম্পাদক:  ০১৮১৭০০৯৩৮৩,

নির্বাহী সম্পাদক:  ০১৮৩৮৪২৪৬৪৭

সহকারী সম্পাদক: ০১৮৫৫৩৪৩৪৯৯

বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি:  ০১৭১১৮০৩৪০৯

সার্কুলেশন ম্যানেজার :   ০১৯৭৮৪২৪৬৪৭

12 Comments

  1. homayunbd
    February 24, 2012 @ 1:19 pm

    i love monthlyalabra

    Reply

  2. মোঃ শরীফ উদ্দিন সোমন
    October 16, 2012 @ 8:41 pm

    ইসলাম একটি শান্তির ধর্ম। শান্তির বানী সবার কানে পৌছে দিতে মাসিক আল-আবরার। ধন্যবাদ মাসিক আল-আবরার তথা কম্পিউটার কৌশলী মাওলানা রিজওয়ান রফীক জমীরাবাদীকে। আপনাদের দীর্ঘ জীবন কামনা করছি আল্লাহর কাছে।
    শরীফ উদ্দিন সোমন
    শিয়ালউড়ী, হরষপুর, মাধবপুর, হবিগঞ্জ।

    Reply

    • mahfuzur rahman
      November 12, 2012 @ 12:21 pm

      السلام عليكم ورحمة الله وبركاته – انى احب المجلة الشهرية الابرار واشكر لاستاذى ومشرفى المكرم العلامة المفتى ارشد رحمانى دامت بركاتهم العالية شكرا جزيلا وجزاه الله خير الجزاء فى الدنيا والاخرة

      Reply

  3. Mahfuj
    August 11, 2014 @ 2:13 pm

    মাসিক আল-আবরার জুন ২০১৪ , মাসিক আল-আবরার মে ২০১৪, মাসিক আল-আবরার এপ্রিল ২০১৪, মাসিক আল-আবরার মার্চ ২০১৪, মাসিক আল-আবরার মে ২০১৩, ডাউনলোড করা যাইতেছে না। সাহায্য চাই……।

    Reply

  4. arif mirsorai
    December 11, 2014 @ 5:10 pm

    E-maile jiggasa o somadaner option thakle valo hoy.

    Reply

  5. Tasnim Hussain
    December 31, 2014 @ 5:47 am

    আসসালামু আলাইকুম,
    মাসিক আল আবরারের সব গুলো সং্খা এক সাথে কোথায় পাওয়া যাবে?
    দয়া করে জানাবেন

    Reply

    • monthlyalabrar
      January 23, 2015 @ 7:02 pm

      বসুন্ধরা অফিসে পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ।

      Reply

  6. jobayer mahmud
    July 2, 2015 @ 9:52 am

    আপনাদের সমস্য চলছে না কি? যার কারণে পড়া যাচ্ছে না

    Reply

  7. bismillahcorporationbd
    May 26, 2016 @ 1:32 am

    Pls up load yearly prayer time table on your site.

    Reply

  8. আঃআউয়াল ৱাজনগৱী
    June 9, 2016 @ 6:38 pm

    দস্তৱেৱ আলোচনা দলিলভিত্তিক হয় নাই৷ কারন ইবনে মাজাৱ হাদীসটি সনদ এবং মতন উভয় দিক থেকে পরিহাৱ যোগ৷ কাৱন এৱ সনদে একজন মাজহুল রাবী ৱয়েছে,আৱ মতনে ইদতিরাব ৱয়েছে,কাৱন এই হাদীসটি হবহু এই সনদে মুসান্নাফে এবনে আবী শাইবাতে আছে,যাতে দস্তর শব্দটি নেই৷

    Reply

  9. মুহাম্মাদ তারিকুল ইসলাম ঢালী
    November 26, 2017 @ 8:38 am

    আস-সালামু আলাইকুম…
    নামাযের তাশাহুদে লা বলার সময় আঙ্গুল উঠানো
    এবং ইল্লাল্লাহ বলার সময় আঙ্গুল নামানো
    এ বিষয়ে কোন হাদীস আছে কী
    জানালে অনেক উপকৃত হইবো
    আমি একজন হানাফী মাযহাবের অনুসারী
    আমার পরিচিত একজন এই বিষয়ে
    মেসেজ পাঠিয়েছে,
    মেসেজের নমূনা নিচে দেখুন ⬇
    গ্রন্থঃ জাল হাদীছের কবলে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর ছালাত
    অধ্যায়ঃ ছালাতের পদ্ধতি
    (১৭) তাশাহ্হুদে বসে শাহাদাত আঙ্গুল একবার উঠানো :
    আঙ্গুল দ্বারা একবার ইশারা করার কোন দলীল নেই।
    এর পক্ষে কোন জাল হাদীছও নেই।
    শায়খ আলবানী (রহঃ) বলেন, প্রচলিত আছে যে,
    ‘লা ইলা-হা’ বলার সময় আঙ্গুল উঠাতে হবে।
    কেউ বলেন, ‘ইল্লাল্লাহ’ বলার সময় উঠাতে হবে।
    এগুলো সবই ব্যক্তি মতামত।
    হাদীছে এগুলোর কোন দলীল নেই।
    ছহীহ সনদে নেই, যঈফ সনদে নেই, এমনকি জাল সনদেও নেই।
    অনুরূপভাবে আঙ্গুল উঠিয়ে রেখে দেয়ারও কোন ভিত্তি নেই।
    বরং ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, সালাম পর্যন্ত আঙ্গুল নড়াতে থাকতে হবে।[1]
    উল্লেখ্য যে, অনেকে আঙ্গুল উঠিয়ে রাখে কিন্তু ইশারা করে না। এটাও ঠিক নয়। কারণ উক্ত মর্মে যে হাদীছ বর্ণিত হয়েছে তা যঈফ।
    عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ الزُّبَيْرِ أَنَّهُ ذَكَرَ أَنَّ النَّبِىَّ  كَانَ يُشِيْرُ بِأُصْبُعِهِ إِذَا دَعَا وَلاَ يُحَرِّكُهَا.
    আব্দুল্লাহ বিন যুবায়ের (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যখন দু‘আ করতেন তখন আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করতেন। কিন্তু নাড়াতেন না।[2]
    তাহক্বীক্ব : বর্ণনাটি যঈফ।[3]
    ‘আঙ্গুল নাড়াতেন না’ অংশটুকু ছহীহ হাদীছে নেই।
    বরং আঙ্গুল নাড়ানোর পক্ষেই ছহীহ হাদীছ রয়েছে।
    যেমন- ثُمَّ رَفَعَ أُصْبُعَهُ فَرَأَيْتُهُ يُحَرِّكُهَا يَدْعُو بِهَا  ‘অতঃপর তিনি তাঁর আঙ্গুল উঠাতেন। রাবী ওয়ায়েল বিন হুজর বলেন, আমি দেখতাম তিনি আঙ্গুল নাড়িয়ে দু‘আ করতেন’।[4]
    অতএব তাশাহ্হুদ পড়া থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত কিংবা শেষ বৈঠকে সালাম ফিরানো পর্যন্ত ডান হাতের শাহাদাত আঙ্গুল দ্বারা সর্বদা ইশারা করবে। এ সময় দৃষ্টি থাকবে আঙ্গুলের মাথায়।[5]
    দুই তাশাহ্হুদেই ইশারা করবে।[6]
    عَنِ ابْنِ أَبْزَى أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ  كَانَ يُشِيْرُ بِأُصْبُعِهِ السَّبَّاحَةِ فِى الصَّلاَةِ.
    ইবনু আবযা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ছাঃ) ছালাতে তার শাহাদাত আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করতেন।[7]
    عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ الزُّبَيْرِ قَالَ كَانَ رَسُوْلُ اللهِ  إِذَا قَعَدَ يَدْعُو وَضَعَ يَدَهُ الْيُمْنَى عَلَى فَخِذِهِ الْيُمْنَى وَيَدَهُ الْيُسْرَى عَلَى فَخِذِهِ الْيُسْرَى وَأَشَارَ بِأُصْبُعِهِ السَّبَّابَةِ وَوَضَعَ إِبْهَامَهُ عَلَى أُصْبُعِهِ الْوُسْطَى وَيُلْقِمُ كَفَّهُ الْيُسْرَى رُكْبَتَهُ.
    আব্দুল্লাহ ইবনু যুবায়ের (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) যখন তাশাহ্হুদে বসতেন, তখন দু‘আ করতেন। তিনি ডান হাত ডান উরুর উপর এবং বাম হাত বাম উরুর উপর রাখতেন। আর শাহাদাত আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করতেন এবং বৃদ্ধা আঙ্গুল মধ্যমা আঙ্গুলের উপর রাখতেন। আর বাম হাতের পাতা দ্বারা বাম হাঁটু চেপে ধরতেন।[8]
    উল্লেখ্য যে, অন্য হাদীছে এসেছে, তিপ্পান্নের ন্যায় ডান হাত মুষ্টিবদ্ধ করে শাহাদাত আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করবে।[9]
    [1]. তাহক্বীক্ব মিশকাত হা/৯০৬-এর টীকা দ্রঃ, ১/২৮৫ পৃঃ- والظاهر من الحديث أن الاشارة والرفع عقب الجلوس وما يقال إن الرفع إنما هو عند قوله لا إله وفي المذهب الآخر عند قوله إلا الله فكله رأي لا دليل عليه من السنة، وقول ابن حجو الفقيه كما نقله في المرقاة ويسن… أن يخصص الرفع بكونه مع إلا الله لما في رواية لمسلم. فوهم محض، فإنه لاأصل لذلك لا في مسلم ولا في غيره من كتب السنة لا باسناده صحيح ولاضعيف بل ولا موضوع. ومثله وضع الأصبع بعد الرفع لاأصل له بل ظاهر الحديث الآتى (৯০৭) وغيره استمرار تحريكها إلى السلام.।
    [2]. আবুদাঊদ হা/৯৮৯, ১/১৪২ পৃঃ;
    নাসাঈ, আল-কুবরা ১/৩৭২;
    বায়হাক্বী ২/১৩২;
    মিশকাত হা/৯১২;
    বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/৮১৫, ২/৩০৬ পৃঃ।
    [3]. যঈফ আবুদাঊদ হা/৯৮৯;
    তামামুল মিন্না, পৃঃ ২১৮।
    [4]. নাসাঈ হা/৮৮৯, ১/১০৩ পৃঃ ও ১২৬৮, ১/১৪২ পৃঃ সনদ ছহীহ।
    [5]. নাসাঈ হা/১২৭৫, ১/১৪২ পৃঃ, হা/১১৬০, ১/১৩০ পৃঃ।
    [6]. বায়হাক্বী, সুনানুল কুবরা হা/২৯০৩;
    সনদ ছহীহ,
    ছিফাতু ছালাতিন নবী, পৃঃ ১৫৯।
    [7]. আহমাদ হা/১৫৪০৫;
    সনদ ছহীহ,
    সিলসিলা ছহীহাহ হা/৩১৮১।
    [8]. ছহীহ মুসলিম হা/১৩৩৬, ১৩৩৮, ১/২১৬ পৃঃ, (ইফাবা হা/১১৮৪);
    মিশকাত হা/৯০৮;
    বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/৮৪৭, ২/৩০৪ পৃঃ।
    [9]. ছহীহ মুসলিম হা/১৩৩৮, ১/২১৬ পৃঃ, (ইফাবা হা/১১৮৬);
    মিশকাত হা/৯০৬;
    বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/৮৪৬, ২/৩০৩ পৃঃ।

    Reply

  10. World Deobandiyat
    May 12, 2018 @ 3:41 am

    দাঃ বাঃ নয়, এডিট করে রহঃ দিলে ভাল হয়৷

    Reply

Leave a Reply to jobayer mahmud Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *